ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচী বাস্তবায়নে জেলা নির্বাচন অফিস সমূহে খন্ডকালীন চাকরীর সুযোগ

ভোটার তালিকা হালনাগাদ, ২০১৯ কর্মসূচীর জন্য মাঠ পর্যায়ের প্রতিটি জেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে সকল উপজেলা/থানায় বাস্তবায়নকল্পে প্রতিটি জেলায় বিভিন্ন পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে জনবল প্রয়োজন। এজন্য জীবন বৃত্তান্তসহ আবেদন করতে পারেন আপনার জন্য প্রযোজ্য পদে।

১. টেকনিক্যাল সাপোর্ট পদে কাজ করতে চাইলে আপনার কম্পিউটার এর হার্ডওয়ার, নেটওয়ার্কিং এবং সফটওয়ারে মোটামুটি দক্ষতা থাকতে হবে। যাতে আপনি বিভিন্ন সফটওয়ারে কাজ করতে এবং হার্ডওয়ারের ট্রাবল সুটিং করতে পারেন।এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচ এস সি বা সমমান হতে হবে।

২. টেকনিক্যাল সাপোর্ট পদে কাজ করতে চাইলে ল্যাপটপ এবং প্রিন্টারের সাথে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা এবং হার্ডওয়ারের ছোটখাট ট্ররাবল সুট এর দক্ষতা প্রয়োজন হবে।এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে কমপক্ষে এইচ এস সি বা সমমান।

৩. টিম লিডার হিসেবে কাজ করতে টেকনিক্যাল সাপোর্ট এর মত উক্ত কাজের সম্পর্কে কিছুটা জানা থাকতে হবে। এক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচ এস সি বা সমমান হতে হবে।

৪. যদি ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে বিশেষ করে বাংলা টাইপিং মোটামুটি ভালো জানা থাকতে হবে। সাথে অল্পবিস্তর ইংরেজি টাইপও জানা থাকতে হবে।এক্ষেত্রে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এইচএস সি বা সমমান হতে হবে।

৫. আপনি যদি টাইপিং এ খুব দক্ষ না হন, কিন্তু জানা থাকে মোটামুটি তাহলে আপনি আবেদন করতে পারেন ডাটা এন্ট্রি হেলপার পদে।এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে কমপক্ষে এসএসসি।

৬. প্রুফ রিডার হিসেবে কাজ করতে হলে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা নূন্যতম এইচএসসি এবং ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের মত টাইপিং এ ও ভালো হতে হবে। প্রুফ রিডার পদটির কাজ মূলত ইলেকট্রনিক ডাটার সঠিকতা পরীক্ষা করে ভুল থাকলে তার স্থলে সঠিক ডাটা এন্ট্রি করা।

নির্বাচন কমিশনের এ কাজ খন্ডকালীন হলেও চলবে মূলত নভেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া প্রতি বছরই নির্বাচন কমিশনের থাকে কোন না কোন প্রোগ্রাম। যদি একবার অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায় তবে, কাজ করার সুযোগ আসবে অন্যান্য সময়েও ।

এ কাজের মাধ্যমে যেমন মোটামুটি ভালো পারিশ্রমিক পাওয়া যায়, তেমনি পরবর্তীতে বিভিন্ন স্থায়ী চাকরীতে কাজে লাগবে এই অভিজ্ঞতা।এমনকি নির্বাচন কমিশনেও মাঝে মাঝে পাওয়া যায় রাজস্ব খাতে স্থায়ী নিয়োগের সুযোগ।ছোট-বড় জেলা অনুযায়ী প্রতিটি পদের সংখ্যা এক বা একাধিক কিন্ত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ৫-৪৪ জন পর্যন্ত। এসব পদে কাজ করতে যোগাযোগ রাখতে হবে জেলা নির্বাচন অফিসারের সাথে।

কিভাবে কাজ করতে হবে তার উপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণও দেয়া হবে কাজ শুরুর আগে। আর যদি আগে এ কাজে অভিজ্ঞতা থেকে থাকে তাহলে আরো সুবিধা ও অগ্রাধিকার পাওয়া যাবে।

আবেদন করতে জীবনবৃত্তান্ত ও ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবিসহ, সাথে শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার সনদ থাকলে তা সংযুক্ত করতে ভুলবেন না ।

22 Replies to “ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচী বাস্তবায়নে জেলা নির্বাচন অফিস সমূহে খন্ডকালীন চাকরীর সুযোগ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *