ডেঙ্গু জ্বরে রক্তের প্লাটিলেট বাড়াতে পেঁপে পাতার রস

বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত এবং আতঙ্কের বিষয় ডেঙ্গু জ্বর। প্রতিদিনই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। সরকার জনস্বার্থে ডেঙ্গু রোগ নির্নয় করার জন্য সরকারী হাসপাতালকে বিনামূল্যে এবং বেসরকারী হাসপাতালকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা বেধে দিয়েছেন।

ধনী-গরীব, ডাক্তার-কবিরাজ, পদস্থ কেইউ বাদ যাচ্ছে না এই রোগোর সংক্রমন হতে। ইতোমধ্যে বহু আলোচিত ব্যক্তির মৃত্যুও হয়েছে এই ডেঙ্গু জ্বরাক্রান্ত হয়ে। তাই ডাক্তাররা বলছেন জ্বর হলেই কোনক্রমেই যাতে সাধারণ অসুখ ভেবে কেই হেলাফেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে।

ডেঙ্গু হয়েছে কিনা তার পরীক্ষা (NS-1 antigen এবং প্রয়োজনে CBC) করার পাশাপাশি ৫০০ মি.গ্রাম ক্ষমতা সম্পন্ন ১ টি করে প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধ দৈনিক ৪ বার খাওয়া প্রয়োজন। ডেঙ্গু শকড যাতে না হয় এজন্য ডাক্তারের নিবিড় পরিচর্যাসহ অবশ্যই পানি জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন প্রচুর পরিমানে। পানি এবং পানি জাতীয় খাবার (ওর স্যালাইন, স্যুপ, ফেনাভাত, পাতলা খেচুড়ী, ডাবের পানি, শরবত, জুস, এমনকি কোক ফ্যান্টা হলেও খেতে হবে বার বার।

কারো যদি ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজেটিভ ধরা পড়ে তাহলে সাধারনত রক্তে প্লাটিলেট কমতে থাকে দ্রুত। সাধারণত ১,৫০,০০০-৪,৫০,০০০ পর্যন্ত প্লাটিলেট কাউন্ট স্বাভাবিক ধরে নেয়া হয়। এর থেকে কমে গেলে তার জন্য রক্ত দেয়ার প্রয়োজনও হতে পারে। এজন্য অবশ্যই আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে একই গ্রুপের রক্তের সংস্থান রাখা জরুরী।

তবে এক্ষেত্রে দ্রুত প্লাটিলেট বাড়াতে জাদুকরীভাবে কাজ করে পেপে পাতার রস। পেপে পাতা ভালো ভাবে ধুয়ে ব্লেন্ডার মেশিনে পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে পর পর দুই দিন একগ্লাস করে খাওয়ালে খুবই কাজ হবে। এটা খাওয়ানোর পর হঠাৎ করেই দ্রুত বাড়তে থাকে প্লাটিলেট কাউন্ট। মাত্র ২৫-৩০ হাজারে নেমে আসা রোগীদের এটা খাওয়ানোর কয়েক ঘন্টার মধ্যে বেড়ে ৫০-৭৫ হাজারে উঠে আসার নজির অন্য কোন ঔষধেও নাই। তাই প্রাকৃতিক এবং কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন এই ভেজষ খাওয়াতে পারলে ডেঙ্গু রোগীর জীবন বাচানোর মহাঔষধ হিসেবে ম্যাজিকের মত কাজ দেবে এই পেপে পাতার রস। কচি পাতা হলে সবচেয়ে ভালো কচি পাতা না পেলে কাঁচা অন্য পাতাও কাজ করবে।